
নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাইকপাড়া বড় জামে মসজিদ নামকরণ ও কমিটি নিয়ে দুটি পক্ষের মাধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া কমিটি বহাল ও মসজিদের হিসাব নিয়ে বাকবিতন্ডা হয় এসময় মসজিদ প্রাঙ্গনে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিবেশ শান্ত করে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে ১৭ নম্বর ওর্য়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি নূর মোহাম্মদ এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, একটি পরিবারের নামের সাথে এই মসজিদটির নামকরণ করতে চেয়েছিল। যা নাকি সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অযৌক্তিক। আর তারাই মসজিদে নির্মাণ কমিটি নামে আরেকটি কমিটি করতে চাচ্ছে শুনেছি। কিন্তু কারা রয়েছে তা কিছু জানিনা। দীর্ঘ দিন ধরেই এ মসজিদটি পাইকপাড়া বড় জামে মসজিদ নামে পরিচিত। আমি সকলের হয়েই মসজিদ কমিটিতে সভাপতি দায়িত্ব পালন করছি। তাছাড়া আজ একটি পক্ষ মসজিদে এসেছে। কথা বলার সময় কেউ একজন অতিউৎসাহী লোক হিসাব চেয়ে দাবী উঠায়, এ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে। কিন্তু আমরা তা হতে দেয়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন মুসুল্লি বলেন, মসজিদে আসি নামাজ পড়তে। মাঝখানে করোনার কারণে মসজিদে নামাজ পড়া হয়নি। এখন যা দেখতে পাচ্ছি সামনে নামাজ পড়তে পাড়বো কিনা সন্দেহ হচ্ছে। আমরা নিরীহ মানুষ। মসজিদে আসি নামাজ পড়তে। কিন্তু দুই পক্ষের নোংরামির কারণে নামাজটাও ঠিকমত পড়তে পারছি না। এর সঠিক বিচার চাই।
এ বিষয়ে নাসিক ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সির আব্দুল করিম বাবু বলেন, আমাকে অবগত করার পর আমি উভয় পক্ষকেই নোটিশ করেছিলাম।উভয় পক্ষ নিয়ে বসা হয়েছিল। তবে তাদের কাগজপত্র স্পষ্ট নয়, যেহেতু অনেক পুরনো। এরপর এ বিষয়টি সমাধানে আবারো বসার কথা ছিল। কিন্তু তারা কিছুই জানায়নি, যোগাযোগও করেনি। আজ হট্রগোলের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে মসজিদে কোন রকম গন্ডগোল কাম্য নয়। আমি এমপি সেলিম ওসমান এবং জেলা প্রশাসকের সহযোগীতা পেলে এটার সমাধান করতে পারবো।
No posts found.